channel 24

সর্বশেষ

  • বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে অব্যাহতি

  • দানবীর রণদা প্রসাদ হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার

  • দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিক তলবের প্রতিবাদে মানববন্ধন

  • নিয়ম মানা না হলে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: দুদক চেয়ারম্যান

  • ২৮ বছর পর সচল হল সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলা ২ মাসের মধ্যে অধিকতর তদন্ত শেষ করার নির্দেশ

  • নারায়ণঞ্জে নারী ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

  • নরসিংদীর দগ্ধ কলেজছাত্রীর মৃত্যু

  • প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ব্রায়ান লারা

  • ভুল ইনজেকশনে এক মাসের বেশি সময় ধরে অজ্ঞান গোপালগঞ্জের মুন্নি

  • চট্টগ্রামে মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১৫

  • অবশেষে ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত

  • খুলনা শিশু হাসপাতালকে ১৫ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • সাম্প্রদায়িক শক্তি এখনও সক্রিয়, বড় নাশকতার পরিকল্পনা করছে: কাদের

  • স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক

ব্যাংকের বদলে ঘরে টাকা রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্য

ব্যাংকের বদলে ঘরে টাকা রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্য

ব্যাংকের বদলে ঘরে টাকা রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন মানুষ। খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, ১ বছরে এর পরিমাণ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭ ভাগ। যার প্রভাবে ব্যাংকগুলোতে আমানত প্রত্যাশিত মাত্রায় বাড়ছে না। ব্যাংকারদের ধারণা, আমানতের সুদহার কমে যাওয়া আর মুদ্রা পাচার বেড়ে যাওয়ায় এমনটা হচ্ছে।

টাকার ব্যবসায় কখনো লোকসান হয় না, এমন ধারণা থেকেই ব্যাংকের জন্ম। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সে বিশ্বাসে লেগেছে ভাটার টান। লাভ দূরে থাক, একাধিক ব্যাংকে আমানত রেখে আসল টাকা ফেরত পেতেই গ্রাহকদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়েছে। ফেব্রুয়ারি ২০১৮ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০১৯- এই সময়ে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংক বহির্ভূত টাকার পরিমাণ বেড়েছে ১৭ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা। শতকরা হিসেবে যা ১৩ দশমিক ৭৩ ভাগ।

বিষয়টি উদ্বেগজনক ও পাচারের আশঙ্কা করছেন এবিবির এই সভাপতি।

ঘরে টাকা রাখার প্রবণতায় ব্যাংক খাতে প্রত্যাশিত মাত্রায় আমানত বাড়ছে না, বরং কমছে। গত জুন থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমানত কমেছে ৭ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা। ফলে আমানতের প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৩৫ শতাংশে।

অংকে কিংবা সূচকে আমানত প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার প্রভাব পড়ছে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধিতে। ফেব্রুয়ারি শেষে যা নেমে এসেছে ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশে। এই প্রবৃদ্ধি দিয়ে চলতি বাজেটের প্রত্যাশিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয় বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।

ব্যাংক খাতের চলমান ধারা আগামীর অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করছে বলেও মনে করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর