channel 24

সর্বশেষ

  • ‘কচুরিপানা খাওয়া’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী

  • রাজধানীর আরামবাগে ফ্ল্যাট থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

  • স্মার্ট এগ্রোরোবট উদ্ভাবন করেছেন ২ শিক্ষার্থী

  • টানা পাঁচদিন পর ফের পতন পুঁজিবাজারে

  • ফজলে কবিরকে গভর্নর পদে চুক্তিতে নিয়োগ

  • ময়মনসিংহে যুব বিশ্বকাপজয়ী রাকিবুলকে সংবর্ধনা

  • মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে ৬ হাজার ১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ

  • রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে 'জীবনানন্দ উৎসব'

  • ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ ৯৪ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা

  • তারেক রহমানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

  • দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনী সবসময় প্রস্তুত: সেনাপ্রধান

  • অটোরিকশা থেকে ছুড়ে ফেলা শিশুটিকে বাঁচাতে চিকিৎসক-নার্সদের প্রাণান্ত চেষ্টা

  • চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: নক আউটে পর্বে মাঠে নামছে লিভারপুল-অ্যাতলেটিকো, পিএসজি-বরুশিয়া

  • চ্যারিটেবল মামলা: ফের হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন

  • নিজের সন্তান না থাকলেও ৪৪ জন শিশুর মা হাজেরা বেগম

ব্যাংকের বদলে ঘরে টাকা রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্য

ব্যাংকের বদলে ঘরে টাকা রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্য

ব্যাংকের বদলে ঘরে টাকা রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন মানুষ। খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, ১ বছরে এর পরিমাণ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭ ভাগ। যার প্রভাবে ব্যাংকগুলোতে আমানত প্রত্যাশিত মাত্রায় বাড়ছে না। ব্যাংকারদের ধারণা, আমানতের সুদহার কমে যাওয়া আর মুদ্রা পাচার বেড়ে যাওয়ায় এমনটা হচ্ছে।

টাকার ব্যবসায় কখনো লোকসান হয় না, এমন ধারণা থেকেই ব্যাংকের জন্ম। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সে বিশ্বাসে লেগেছে ভাটার টান। লাভ দূরে থাক, একাধিক ব্যাংকে আমানত রেখে আসল টাকা ফেরত পেতেই গ্রাহকদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়েছে। ফেব্রুয়ারি ২০১৮ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০১৯- এই সময়ে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংক বহির্ভূত টাকার পরিমাণ বেড়েছে ১৭ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা। শতকরা হিসেবে যা ১৩ দশমিক ৭৩ ভাগ।

বিষয়টি উদ্বেগজনক ও পাচারের আশঙ্কা করছেন এবিবির এই সভাপতি।

ঘরে টাকা রাখার প্রবণতায় ব্যাংক খাতে প্রত্যাশিত মাত্রায় আমানত বাড়ছে না, বরং কমছে। গত জুন থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমানত কমেছে ৭ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা। ফলে আমানতের প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৩৫ শতাংশে।

অংকে কিংবা সূচকে আমানত প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার প্রভাব পড়ছে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধিতে। ফেব্রুয়ারি শেষে যা নেমে এসেছে ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশে। এই প্রবৃদ্ধি দিয়ে চলতি বাজেটের প্রত্যাশিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয় বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।

ব্যাংক খাতের চলমান ধারা আগামীর অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করছে বলেও মনে করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর