channel 24

সর্বশেষ

  • রণদা প্রসাদসহ ৭ জন হত্যার ঘটনায়...

  • টাঙ্গাইলে মাহবুবুর রহমানের ফাঁসির আদেশ

  • বরগুনায় প্রকাশ্যে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা...

  • হাইকোর্টের নজরে এনেছেন এক আইনজীবী...

  • প্রশাসন কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানানোর নির্দেশ হাইকোর্টের...

  • বরিশাল মেডিকেলে নিহত রিফাতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

  • জাহালমের ঘটনায় নিম্ন আদালতে ৩৩ মামলা চলতে বাধা নেই: হাইকোর্ট...

  • কে জড়িত ২ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ হাইকোর্টের

  • নুসরাত হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়েছে

  • আসামির কাছ থেকে অর্থ দাবি ও থানায় নির্যাতনের অভিযোগে...

  • কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার ২ পরিদর্শক, ৮ এসআই ও ৪ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা...

  • দুদক ও পুলিশ সুপারকে তদন্তের নির্দেশ আদালতের

  • বৈরী আবহাওয়া: আজ বসানো হচ্ছে না পদ্মা সেতুর ১৪তম স্প্যান

নেপাল-ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির জন্য অপেক্ষা আরও কয়েক বছর

নেপাল-ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির জন্য অপেক্ষা আরও কয়েক বছর

নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির বড় পরিকল্পনা থাকলেও, সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে বেশ কয়েক বছর। কারণ, চলমান কোনো প্রকল্প থেকে এ মুহূর্তে জলবিদ্যুৎ কেনার সুযোগ নেই বাংলাদেশের। তবে, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলছেন, এরইমধ্যে সে দেশে বিনিয়োগ করতে সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হয়েছে। ফলে, দুয়েক বছরের মধ্যেই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে। আর পিডিবি বলছে, নানা কারণেই কিছুটা ধীর গতিতে এগোচ্ছে তারা।

এখনো নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুতের সবচেয়ে বড় একক উৎস কাপ্তাইয়ের এই জলবিদ্যুৎকেন্দ্র। যা উৎপাদনে আসে ৬০ বছর আগে। প্রথম দিকে চড়া দামের এই বিদ্যুৎ এখন পাওয়া যাচ্ছে এক রকম পানির দামে। তাই, এ ধরনের উৎসকে বিস্তৃত করা গেলে কমে আসবে গড় খরচ। তবে, সেই সম্ভাবনা একেবারেই কম বাংলাদেশে। তাই, পরিবেশ আর জ্বালানি পোড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প হলো আমদানি।

আরও জানতে: তিন বছরে বায়ুশক্তি থেকে ৭শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পেতে চায় সরকার

সৌর বিদ্যুতের নতুন দুয়ার খুলেছে বাংলাদেশে

ড্রোন প্রযুক্তি দিয়ে বিমান তৈরি করলেন আরমানুল ইসলাম

কয়েক বছর ধরে দেশীয় গ্রিডে আসছে ভারতীয় বিদ্যুৎ। যে অঙ্ক আরো বাড়বে কয়েকগুণ; সরকারের মহাপরিকল্পনায়। আর দীর্ঘমেয়াদের ওই পরিকল্পনাকে কার্যকর করতে এখন আলোচনায় নেপাল ও ভূটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি।

পাহাড়ি ওই দেশদুটো থেকে আমদানির ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি প্রাথমিক চুক্তিও করে রেখেছে বাংলাদেশ। যেখানে, সম্পৃক্ত ভারতীয় প্রতিষ্ঠান জিএমআর। ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহারের শর্তও খানিকটা সহজ করে রেখেছে দেশটি। সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে বেশ কয়েক বছর। কারণ, যে প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ পেতে পারে বাংলাদেশ, তার কাজই শুরু করেনি কোনো পক্ষ। এছাড়া, বড় বিনিয়োগও সেখানে তৈরি করে রেখেছে বড় বাধা। ঝুঁকি রয়ে গেছে তিন পক্ষের বোঝাপড়ার ক্ষেত্রেও।

বিভিন্ন সংস্থার হিসাবে, নেপাল ও ভূটানে উৎপাদন সম্ভাবনা অন্তত লাখ খানেক মেগাওয়াট। যা তাদের চাহিদার কয়েকগুণ। তাই, পরিকল্পনা মাফিক এগুনো গেলে তার বড় আমদানিকারক হতে পারে বাংলাদেশ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর