channel 24

সর্বশেষ

  • গুলশানে কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে

  • শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে এক মাসের জন্য...

  • নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত

  • যন্ত্রপাতি ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক...

  • আবদুর রশীদসহ ১৪ জনকে ১ থেকে ৩ এপ্রিল তলব করেছে দুদক

  • বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টকে ভাঙার চেষ্টায় সরকার: মির্জা ফখরুল

  • প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ মারা গেছেন...

  • বাদ জোহর বারিধারার পার্ক মসজিদে জানাজা...

  • বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন

  • তৃতীয় দফায় ১১৬ উপজেলায় ভোট চলছে...

  • অনিয়মের অভিযোগে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় ভোট স্থগিত...

  • অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ও কটিয়াদীর ওসি সামসুদ্দীনকে প্রত্যাহার..

  • মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে আ.লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর ভোট বর্জন...

  • চট্টগ্রামের পূর্ব চন্দনাইশে দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ গুলিবিদ্ধ ২; আটক ৫...

  • ভোটারশূন্যতাই প্রমাণ করে ভোটের প্রতি জনগণের আস্থা নেই: রিজভী

  • বাসচাপায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহতের প্রতিবাদে...

  • ৫ দফা দাবিতে সিলেটের চৌহাট্টায় সহপাঠীদের সড়ক অবরোধ

সৌর বিদ্যুতের নতুন দুয়ার খুলেছে বাংলাদেশে

সৌর বিদ্যুতের নতুন দুয়ার খুলেছে বাংলাদেশে

সৌর বিদ্যুতের নতুন দুয়ার খুলেছে বাংলাদেশে। বিশ মেগাওয়াট ক্ষমতার একক কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ আলো ছড়াচ্ছে দক্ষিণের সবশেষ উপজেলা টেকনাফে। প্রায় তিনশ কোটি টাকার এই প্রকল্প নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনাকে এগিয়ে দিয়েছে আরো একধাপ। স্রেডা বলছে, ২০২১ সাল নাগাদ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এ রকম বেসরকারি উদ্যোগ বড় ভূমিকা রাখবে।

নাফ নদীর তীরে ১শ একরের বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে সোলার পার্ক। একটা সময় কেবল লবণ চাষে ব্যবহৃত জমিতে উৎপাদিত হচ্ছে বিদ্যুৎ। এক রকম ধারণার বাইরে থাকা এই উদ্যোগকে বাস্তবায়ন করেছে জুলস পাওয়ার নামের একটি প্রতিষ্ঠান। যাতে খরচ হয়েছে প্রায় ৩শ কোটি টাকা।

আরও জানতে: সাগরগর্ভে বিলীনের পথে কুয়াকাটা সৈকতের সবুজ বেষ্টনী

রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহার হচ্ছে অটোরিকশায়

সরকারি জমি ব্যক্তি মালিকানায় খারিজ

বিশ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার এই পার্ক থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাচ্ছে এলাকার অন্তত ৮০ শতাংশ মানুষের। যা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে নতুন উচ্চতায়।

টেকনাফের মতো বড় প্রকল্প ছাড়াও বাসা-বাড়িতে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারে রেডর্ক গড়েছে বাংলাদেশ। যদিও, তা মোট উৎপাদন বাড়াতে পারেনি খুব বেশি। এমন বাস্তবতায়, আগামী দুই বছরে এই উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট। স্রেডার হিসেবে যা এখন মাত্র ৩৩৮। অর্থাৎ, বাকি সময়ে যোগ করতে হবে এক হাজার মেগাওয়াটের বেশি।

সৌর বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে বড় বাধা হলো জমি। যা কয়েকগুণ বেশি দরকার হয় অন্য জ্বালানিভিত্তিক কেন্দ্র নির্মাণের চেয়ে। এছাড়া, প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতি মেগাওয়াট গড় খরচও তুলনামূলক বেশি। যার ফলে, উৎপাদিত বিদ্যুৎ কিনতে গুণতে হয় গ্যাস, কয়লা কিংবা ফার্নেস তেল পুড়িয়ে পাওয়া বিদ্যুতের চেয়ে বাড়তি টাকা। তাই, ভবিষ্যতের জন্য এটা কতোখানি সাশ্রয়ী এবং টেকসই হবে সে প্রশ্ন বিশ্লেষকদের।

গেলো কয়েক বছর ধরেই বিশ্বব্যাপী ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন। আর পাশের দেশ ভারতে এই উৎসের ক্ষমতা প্রায় ৪৫ হাজার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর