channel 24

সর্বশেষ

  • ব্রিটেনে তারেক-জোবাইদার ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশ আদালতের

  • নুসরাত হত্যায় জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হবে: এইচ টি ইমাম

  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের প্রমাণ মিলেছে

দুর্দিন যাচ্ছে চামড়া ও চামড়াজাতপণ্যের আয়ে

দুর্দিন যাচ্ছে চামড়া ও চামড়াজাতপণ্যের আয়ে

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে সুবাতাস থাকলেও একরকম দুর্দিন যাচ্ছে চামড়া ও চামড়াজাতপণ্যের আয়ে।

চলতি অর্থবছরে প্রথম সাত মাসেও নেই সুখবর। পাঁচ বছরের ব্যবধানে কাঁচা এবং প্রক্রিয়াজাত চামড়ার রপ্তানি কমেছে আশঙ্কাজনক হারে।

যার পেছনে বড় কারণ হিসেবে দায়ি করা হচ্ছে ট্যানারি স্থানান্তরকে।

অবশ্য এই দায়ে পুরোটা নিতে নারাজ শিল্প মন্ত্রণালয়। আর বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন, এমন বাস্তবতায় ২০২১ সাল নাগাদ এই খাত থেকে আয়ের লক্ষ্য অর্জন প্রায় অসম্ভব।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি খাত হিসেবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য বিলিয়ন ডলার ছাড়ায় বছর পাঁচেক আগে। যা বড় স্বস্তি দেয় ব্যবসায়ীদের।

সেই সাথে তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমার স্বপ্নও দেখেন অনেকে। ফলে বাড়তে থাকে দেশি বিনিয়োগ। শুরু হয় রপ্তানির নতুন গন্তব্য খোঁজা।

তবে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা পরের দু এক বছর চললেও আবারো নামতে থাকে নিচের দিকে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের ৫০ কোটি ডলারের চামড়া রপ্তানি সবশেষ অর্থবছরে নেমে আসে মাত্র ১৮ কোটিতে।

এজন্য ট্যানারি স্থানান্তরকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের যুক্তি, সাভার শিল্পনগরীর ইটিপি কাজ না করায় পরিবেশ ইস্যুতে বেঁকে বসেন বিদেশি ক্রেতারা। যদিও, এই অভিযোগ পুরো মানতে নারাজ শিল্প মন্ত্রণালয়।

সবশেষ পাঁচ অর্থবছরের হিসাব বলছে, এই সময়ে চামড়া ও চামড়াজাতপণ্যের মোট রপ্তানি কমেছে সাড়ে তিন শতাংশ। অথচ, বাংলাদেশের আয় কমলেও প্রতি বছরই বৈশ্বিক চাহিদা বেড়েছে অন্তত ৫ শতাংশ হারে।

এমন বাস্তবতায় ২০২১ সাল নাগাদ এই খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের আশা থেকে সরে আসতে চান বাজার বিশ্লেষকরা।

চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসেও এই খাতের রপ্তানি কমেছে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে চৌদ্দ শতাংশ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর