channel 24

সর্বশেষ

  • নদীতে ভাসছে মরদেহ, মিলছে না সন্ধান

  • ঢাবি'র 'খ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

  • আবারো অসুস্থ কিংবদন্তী সুরকার আলাউদ্দিন আলী

  • শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা

  • আওয়ামী লীগের সব নেতারা দুর্নীতিতে নিমজ্জিত: ফখরুল

  • গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

  • তালিকায় নাম থাকলেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি মেলেনি দিপালী রানীর

  • শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক উন্নয়নে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ

  • লক্ষ্মীপুরে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১

  • পশ্চিমবাংলায় এনআরসি আতঙ্কে ৩ জনের মৃত্যু

  • প্রথমে ইমরান, পরের দিন মোদীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ট্রাম্প

  • অবশেষে সীমান্ত পিলার থেকে মুঁছে যাচ্ছে পাকিস্তানের নাম

  • গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এসআইসহ নিহত ৪

  • উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে এখনও উত্তাল গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়

  • ২০ বছর আগের মামলায় ফাঁসলেন সানি দেওল ও কারিশমা কাপুর

খাবার অপচয় রোধে ব্যতিক্রমী প্রকল্প জার্মানিতে

খাবার অপচয় রোধে ব্যতিক্রমী প্রকল্প জার্মানিতে

বিশ্বে প্রতি বছর নষ্ট হচ্ছে প্রায় দেড়শো কোটি টন খাবার। অন্যদিকে অভুক্ত থাকেন কোটি মানুষ। এ দুইয়ের মধ্যে সমন্বয়ের লক্ষ্যে একাধিক প্রকল্প রয়েছে। কিন্তু সফল হয়নি একটিও। খাবার অপচয় কমাতে এবার সারপ্লাস সুপার মার্কেট নামে ব্যতিক্রমী প্রকল্প চালু হয়েছে জার্মানিতে কমমূল্যে বিক্রি হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য। দুই বছরে হাজার টনের বেশি খাবার পুনঃবাজারজাত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্বে প্রতি বছর গড়ে প্রায় দেড়শ কোটি টন খাবার নষ্ট হয়। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর ন্যাচারের জরিপে জানানো হয়, এর ৪০ শতাংশই হয় ঘরের মধ্যে। আর ভোক্তার কাছে পৌঁছার আগেই নষ্ট হয় ২০ শতাংশ।

আরেক জরিপে দেখা যায়, প্রতি বছর শুধু জার্মানিতে নষ্ট হচ্ছে প্রায় ২ কোটি টন খাবার। এর পরিমাণ কমাতে স্যারপ্লাস সুপার মার্কেট নামে ব্যতিক্রমী প্রকল্প চালু হয়েছে দেশটিতে। মেয়াদোত্তীর্ণ কিন্তু খাবারযোগ্য পণ্য কমমূল্যে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

মেয়াদোত্তীর্ণ হলেই খাবার নষ্ট হয় না। দুর্গন্ধ ছড়ানোর আগ পর্যন্ত সেগুলো খেলে কোনো সমস্যা হয় না। তবু সুপারশপে মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার বিক্রি হয় না। সেগুলোর সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করতে এ প্রকল্প চালু করা হয়েছে।

বার্লিনের বিভিন্ন বাজার থেকে কম দামে ফল ও সবজি সংগ্রহ করেন ফিলমার। রেস্টুরেন্টে ভোক্তাদের ফিরিয়ে দেয়া খাবার সুপারশপ, কৃষক ও উৎপাদকদের অবিক্রিত পণ্য সংগ্রহ করেন এই উদ্যোক্তা। জানান, সাধারণ খুচরা বাজারের চেয়ে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম দামে বিক্রি হচ্ছে খাবার।

২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠা পায় স্যারপ্লাস। দুই বছরে ১৮ লাখ পণ্য ও হাজার টনের বেশি খাবার পুনঃবাজারজাত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বেশ জনপ্রিয়তাও পেয়েছে এই প্রকল্প। প্রতিদিন গড়ে ১২শ এর বেশি ক্রেতা স্যারপ্লাস থেকে খাবার সংগ্রহ করেন।

খাবারের উদ্বৃত্ত ও ঘাটতির মধ্যে দারুণ সমন্বয় করছে স্যারপ্লাস সুপার মার্কেট। এখানে সবকিছুই কম দামে পাওয়া যায়। খাদ্যের অপচয় কমানোর প্রকল্পে একাত্মতা জানাতে প্রতি সপ্তাহে এ সুপার মার্কেটে কেনাকাটা করি।

এদিকে খাবারের অপচয় রোধে ২৫ বছর ধরে কাজ করা সংগঠনের দাবি, স্যারপ্লাস প্রকল্পের কারণে ব্যবসায়ে পরিণত হচ্ছে অবিক্রিত খাবার বণ্টন কার্যক্রম।

তাদের এই উদ্যোগে খাবার অপচয়ের পরিমাণ হয়তো কমে যাবে। তবে সেগুলোর সুষম বণ্টন হবে না। একইসঙ্গে অবিক্রিত খাবারের ব্যবসায়ে উদ্বুদ্ধ হতে পারেন ব্যবসায়ীরা।

ভালো মুনাফা হলেও স্যারপ্লাস কখনোই ব্যবসায়ে রূপ নেবে না বলে দাবি ফিলমারের। তিনি জানান, খাবার অপচয় রোধ করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর