channel 24

ব্রেকিং নিউজ

  • রাজধানীর চকবাজারে একটি ভবনে আগুন...

  • নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট...

  • নিহত অন্তত ৬২; দগ্ধ ১৬ জনসহ আহত অর্ধশতাধিক...

  • আশপাশের লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে

আমদানি নির্ভরতা কমাতে পনির উৎপাদনে নজর দিচ্ছে রাশিয়া

আমদানি নির্ভরতা কমাতে পনির উৎপাদনে নজর দিচ্ছে রাশিয়া

আমদানি নির্ভরতা কমানো এবং বাজার দখলের প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে এবার পনির উৎপাদনে নজর দিচ্ছে রাশিয়া। এরই মধ্যে ইউরোপের বাজার দখলের লড়াইয়ে অনেকটা এগিয়ে গেছে দেশটি। সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে আগামীতে বিশ্ব বাজারে নিজেদের অবস্থান আরো শক্ত করার আশা দেশটির ব্যবসায়ীদের।
পনির উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে সব সময়ই বিখ্যাত ইউরোপ। বিশ্বব্যাপী সমাদৃত এই খাদ্য উপাদানের আন্তর্জাতিক বাজারে ইউরোপের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উত্থান হতে চলেছে রাশিয়ার। গেলো কয়েক বছরে শতাধিক পনির কারখানা স্থাপন করা হয়েছে দেশটিতে। ৫ বছর আগে আমদানি নির্ভর দেশটি বর্তমানে পনির রপ্তানির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

মাত্র কয়েক বছরে বেশ এগিয়েছে আমাদের পনির শিল্প খাত। বর্তমানে কয়েকশ কারখানায় পনির উৎপাদন হচ্ছে। একে বিপ্লব বলা চলে।

পনির শিল্পে ইউরোপকে অনুসরণ করছে রাশিয়া। এই শিল্পের সাথে তাদের সন্তানদেরও পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে তারা। নতুন কিছু শিখতে তাদের ইউরোপেও পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি দারুণ কিছু উৎপাদন কারখানায় পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালাচ্ছে।

২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলো থেকে টাটকা খাবার আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাশিয়া সরকার। এতে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি পনির সংকট দেখা দেয় দেশটিতে। সে সুযোগ কাজে লাগান স্থানীয়রা। দেশীয় চাহিদা মেটাতে পনির উৎপাদন ও বিপণন শুরু করেন ক্ষুদ্র উৎপাদকরা। স্বল্প সুদে দেয়া হয় ব্যাংক ঋণ সুবিধা। কারখানা তৈরির অবকাঠামো নির্মাণেও শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছেন উদ্যোক্তারা।

এখানে পনিরের চাহিদা অনেক বেশি। যার বেশিরভাগই আমদানি করা হতো। আমদানি নিষেধাজ্ঞার কারণে পনিরের সংকট দেখা দিয়েছিলো। কয়েকজন উৎসাহী খামারী এবং উৎপাদকদের কারণে সে সংকট দূর হয়।

নিষেধাজ্ঞার কারণেই পনির উৎপাদন শুরু করেন রাশিয়ার কয়েকজন খামারি। ৫ বছর ধরে অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের মাধ্যমেই পনিরের দেশীয় চাহিদা পূরণ হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে রাশিয়া থেকে এই খাদ্য উপাদান রপ্তানি হবে।

পনির শিল্পের বিকাশে শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয় ক্রেমলিন। প্রয়োজনীয় কাঁচামাল উৎপাদনে গরু-ছাগল পালনের জন্য খামারি প্রতি সর্বোচ্চ ১৫ হেক্টর জমির খাজনা মওকুফ করা হয়। বাজার সম্প্রসারণের সুবিধার্থে দেয়া হয়েছে ভর্তুকিও।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর