channel 24

সর্বশেষ

  • চ্যারিটেবল মামলা: হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন; শুনানি মঙ্গলবার

  • রয়্যাল রিগ্যালিয়া মিউজিয়াম পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • সরকারের কাছে মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার পূরণ হয়েছে বলেই...

  • নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা কমেছে: রাজশাহীতে ইসি সচিব

  • অর্থনীতিতে সরকারের ১০০ দিন উদ্যমহীন...

  • বৈদেশিক ঋণের দায় শোধ সামনের চ্যালেঞ্জ: সিপিডি

  • ত্রুটিমুক্ত রেজাল্টসহ ৫ দফা দাবিতে নিউমার্কেট মোড় অবরোধ করে...

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

  • শ্রীলঙ্কা ট্র্যাজেডি: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২১; আটক ৪০...

  • দেশটিতে পালিত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় শোক; জরুরি অবস্থা জারি...

  • আইএসের সাথে মিলে স্থানীয় জঙ্গিগোষ্ঠী এনটিজে হামলা চালায়: মনিরুল..

  • শেখ সেলিমের নাতি জায়ানের মরদেহ আনা হবে কাল: হানিফ

  • ভারতে লোকসভা নির্বাচন: ৩য় দফায় ১১৭ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে...

  • গুজরাটের আহমেদাবাদে ভোট দিলেন নরেন্দ্র মোদি

সিউল মেট্রোরেল পাতাল মেট্রো সিস্টেমের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত

সিউল মেট্রোরেল পাতাল মেট্রো সিস্টেমের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকে এগুচ্ছে বিশ্ব। মাটির উপরে যোগাযোগ পদ্ধতির অপ্রতুলতায় এখন পাতালে নজর সবার। এমনই একটি পাতাল রেল বা সাবওয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল মেট্রো সিস্টেম। যা এ ব্যবস্থার রোল মডেল হিসেবেই পরিচিত।

নয়নাভিরাম দক্ষিণ কোরিয়া। প্রতিনিয়ত হাতছানি দিয়ে ডাকছে দেশটির রাজধানী সিউল।

দেশটির সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে বেশ কয়েক দশক আগে থেকেই যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের দিকে হাত দেশটির সরকার। প্রশস্ত সড়ক কিংবা উড়াল সেতু পাশাপাশি নজর দেয়া হয় পাতালের যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশটির প্রথম সাবওয়ের যাত্রা শুরু ১৫ আগস্ট ১৯৭৪ সালে।

১৯৭৮ থেকে ৮৪ মধ্যে ৬০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য  দ্বিতীয় লাইনের যাত্রা শুরু। ১৯৮০ থেকে ৯৩ এর মধ্যে লাইন ৩, ১৯৯৪ সালে লাইন ৪-এর যাত্রা শুরু। ১৯৯৬ সালে ৫২ কিলোমিটার লম্বা  হান নদীর তলদেশ দিয়ে সাবওয়ের যাত্রা শুরু হয়। যা  গিম্পো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ইউ-উই-ডো বাণিজ্যিক এলাকা, ডাউনটাউন সিওল এবং গ্যাংডং আবাসিক অঞ্চলকে একীভূত করে। ২০০৭ সালে ঘোড়ার খুরের আকৃতির লাইন ৬,৭ ও ৮ যাত্রা শুরু করে। আর ২৫টি স্টেশন সম্বলিত লাইন ৯ যাত্রা শুরু করে ২০০৯ সালে।

প্রায় ১ হাজার মাইল লম্বা এই সাবওয়ে লাইনগুলো প্রতিদিন ৭০ লাখ যাত্রী পরিবহন করে। ট্রেনগুলোর সর্বোচ্চ গতি ৬২ মাইল। শীতকালে উষ্ণ আসন ব্যবস্থা, নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল স্ক্রিণে বিশ্বের সবশেষ আলোচিত ঘটনার আপডেট, সুবিশাল ও পরিচ্ছন্ন কামরা, দ্রুত গতির ইন্টারনেট এবং বিশ্বের নানা ভাষার মানুষের জন্য ঘোষণার ব্যবস্থা আছে। রয়েছে কেনাকাটা ও খাবারের ব্যবস্থাও। যাত্রী প্রতি ভাড়া প্রায় ১ ডলার। আর সাবওয়ের উন্নয়নে ২৭ বিলিয়র পাউন্ড খরচ করে দেশটির সরকার।

এ লাইনগুলো পরিচালন করে চারটি প্রতিষ্ঠান। আর যাত্রীদের সুবিধার্থে পেপার টিকেটের বদলে ব্যবহার করা হয় স্মার্ট টিকেটিং কার্ড। আর ২৯১টি স্টেশন সম্বলিত ২৮৭ কিলোমিটার লম্বা এ সাবওয়ের ৭০ শতাংশই মাটির নিচে।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় গোটা দুনিয়ার জন্য রীতিমত আদর্শ সিউল সাবওয়ে বিখ্যাত ব্লগ জালোপনিকের এক সমীক্ষায় সুপার হাইওয়ের তকমে নিয়ে নিয়েছে। আর যাত্রী সাধারণে সুবিধার জন্য এখনও অব্যাহত রয়েছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর