channel 24

সর্বশেষ

  • কেউ অন্ধকারে থাকবে না, মুজিববর্ষে সব ঘরে আলো জ্বলবে: প্রধানমন্ত্রী...

  • বিদ্যুৎ অপচয় না করে, ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহবান

  • রেলের দুর্বলতা চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে...

  • কোনো কিছুই গোপন করা হবে না: রেলমন্ত্রী

  • বেপরোয়া আচরণে সড়কের মতো দুর্ঘটনা রাজনীতিতেও ঘটতে পারে: কাদের

  • দ্রুত বিচার আইনে আবরার হত্যা মামলার বিচার সম্পন্ন হবে: আইনমন্ত্রী

  • ভিসির অপসারণ দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ চলছে

  • গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি...

  • নাসিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক

  • বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা: ২৫ জনকে আসামি করে চার্জশিট জমা...

  • হত্যায় সরাসরি অংশ নেয় ১১ জন; ১৪ জনের ঘটনায় সম্পৃক্ততা...

  • পলাতক ৪ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন...

  • মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়সহ হল প্রশাসনের ব্যর্থতা রয়েছে: মনিরুল ইসলাম

সিউল মেট্রোরেল পাতাল মেট্রো সিস্টেমের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত

সিউল মেট্রোরেল পাতাল মেট্রো সিস্টেমের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকে এগুচ্ছে বিশ্ব। মাটির উপরে যোগাযোগ পদ্ধতির অপ্রতুলতায় এখন পাতালে নজর সবার। এমনই একটি পাতাল রেল বা সাবওয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল মেট্রো সিস্টেম। যা এ ব্যবস্থার রোল মডেল হিসেবেই পরিচিত।

নয়নাভিরাম দক্ষিণ কোরিয়া। প্রতিনিয়ত হাতছানি দিয়ে ডাকছে দেশটির রাজধানী সিউল।

দেশটির সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে বেশ কয়েক দশক আগে থেকেই যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের দিকে হাত দেশটির সরকার। প্রশস্ত সড়ক কিংবা উড়াল সেতু পাশাপাশি নজর দেয়া হয় পাতালের যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশটির প্রথম সাবওয়ের যাত্রা শুরু ১৫ আগস্ট ১৯৭৪ সালে।

১৯৭৮ থেকে ৮৪ মধ্যে ৬০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য  দ্বিতীয় লাইনের যাত্রা শুরু। ১৯৮০ থেকে ৯৩ এর মধ্যে লাইন ৩, ১৯৯৪ সালে লাইন ৪-এর যাত্রা শুরু। ১৯৯৬ সালে ৫২ কিলোমিটার লম্বা  হান নদীর তলদেশ দিয়ে সাবওয়ের যাত্রা শুরু হয়। যা  গিম্পো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ইউ-উই-ডো বাণিজ্যিক এলাকা, ডাউনটাউন সিওল এবং গ্যাংডং আবাসিক অঞ্চলকে একীভূত করে। ২০০৭ সালে ঘোড়ার খুরের আকৃতির লাইন ৬,৭ ও ৮ যাত্রা শুরু করে। আর ২৫টি স্টেশন সম্বলিত লাইন ৯ যাত্রা শুরু করে ২০০৯ সালে।

প্রায় ১ হাজার মাইল লম্বা এই সাবওয়ে লাইনগুলো প্রতিদিন ৭০ লাখ যাত্রী পরিবহন করে। ট্রেনগুলোর সর্বোচ্চ গতি ৬২ মাইল। শীতকালে উষ্ণ আসন ব্যবস্থা, নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল স্ক্রিণে বিশ্বের সবশেষ আলোচিত ঘটনার আপডেট, সুবিশাল ও পরিচ্ছন্ন কামরা, দ্রুত গতির ইন্টারনেট এবং বিশ্বের নানা ভাষার মানুষের জন্য ঘোষণার ব্যবস্থা আছে। রয়েছে কেনাকাটা ও খাবারের ব্যবস্থাও। যাত্রী প্রতি ভাড়া প্রায় ১ ডলার। আর সাবওয়ের উন্নয়নে ২৭ বিলিয়র পাউন্ড খরচ করে দেশটির সরকার।

এ লাইনগুলো পরিচালন করে চারটি প্রতিষ্ঠান। আর যাত্রীদের সুবিধার্থে পেপার টিকেটের বদলে ব্যবহার করা হয় স্মার্ট টিকেটিং কার্ড। আর ২৯১টি স্টেশন সম্বলিত ২৮৭ কিলোমিটার লম্বা এ সাবওয়ের ৭০ শতাংশই মাটির নিচে।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় গোটা দুনিয়ার জন্য রীতিমত আদর্শ সিউল সাবওয়ে বিখ্যাত ব্লগ জালোপনিকের এক সমীক্ষায় সুপার হাইওয়ের তকমে নিয়ে নিয়েছে। আর যাত্রী সাধারণে সুবিধার জন্য এখনও অব্যাহত রয়েছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর