channel 24

সর্বশেষ

  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে...

  • কাল নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • অবৈধ ক্যাসিনো: আটক যুবলীগ নেতা খালেদকে গুলশান থানায় হস্তান্তর

  • রাজধানীতে জুয়ার আসর বসতে দেয়া হবে না: ডিএমপি কমিশনার...

  • ক্যাসিনো মালিক প্রভাবশালী হলেও আইনের আওতায় আনা হবে...

  • মসজিদের শহরকে ক্যাসিনোর শহরে পরিণত করেছে সরকার: ড. মঈন

  • প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগে বিএনপি নেতা...

  • শামসুজ্জামান দুদুর বিরুদ্ধে মামলা; দ্রুত আটকের দাবি ছাত্রলীগের

  • কোনো প্রক্রিয়া ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া...

  • ছাত্রলীগ নেতাদের ছাত্রত্ব বাতিলের দাবি ডাকসু ভিপির

  • পারিবারিক কলহ: নারায়ণগঞ্জে মা ও ২ শিশুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা...

  • আহত আরও এক শিশুকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি

সিউল মেট্রোরেল পাতাল মেট্রো সিস্টেমের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত

সিউল মেট্রোরেল পাতাল মেট্রো সিস্টেমের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকে এগুচ্ছে বিশ্ব। মাটির উপরে যোগাযোগ পদ্ধতির অপ্রতুলতায় এখন পাতালে নজর সবার। এমনই একটি পাতাল রেল বা সাবওয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল মেট্রো সিস্টেম। যা এ ব্যবস্থার রোল মডেল হিসেবেই পরিচিত।

নয়নাভিরাম দক্ষিণ কোরিয়া। প্রতিনিয়ত হাতছানি দিয়ে ডাকছে দেশটির রাজধানী সিউল।

দেশটির সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে বেশ কয়েক দশক আগে থেকেই যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের দিকে হাত দেশটির সরকার। প্রশস্ত সড়ক কিংবা উড়াল সেতু পাশাপাশি নজর দেয়া হয় পাতালের যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশটির প্রথম সাবওয়ের যাত্রা শুরু ১৫ আগস্ট ১৯৭৪ সালে।

১৯৭৮ থেকে ৮৪ মধ্যে ৬০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য  দ্বিতীয় লাইনের যাত্রা শুরু। ১৯৮০ থেকে ৯৩ এর মধ্যে লাইন ৩, ১৯৯৪ সালে লাইন ৪-এর যাত্রা শুরু। ১৯৯৬ সালে ৫২ কিলোমিটার লম্বা  হান নদীর তলদেশ দিয়ে সাবওয়ের যাত্রা শুরু হয়। যা  গিম্পো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ইউ-উই-ডো বাণিজ্যিক এলাকা, ডাউনটাউন সিওল এবং গ্যাংডং আবাসিক অঞ্চলকে একীভূত করে। ২০০৭ সালে ঘোড়ার খুরের আকৃতির লাইন ৬,৭ ও ৮ যাত্রা শুরু করে। আর ২৫টি স্টেশন সম্বলিত লাইন ৯ যাত্রা শুরু করে ২০০৯ সালে।

প্রায় ১ হাজার মাইল লম্বা এই সাবওয়ে লাইনগুলো প্রতিদিন ৭০ লাখ যাত্রী পরিবহন করে। ট্রেনগুলোর সর্বোচ্চ গতি ৬২ মাইল। শীতকালে উষ্ণ আসন ব্যবস্থা, নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল স্ক্রিণে বিশ্বের সবশেষ আলোচিত ঘটনার আপডেট, সুবিশাল ও পরিচ্ছন্ন কামরা, দ্রুত গতির ইন্টারনেট এবং বিশ্বের নানা ভাষার মানুষের জন্য ঘোষণার ব্যবস্থা আছে। রয়েছে কেনাকাটা ও খাবারের ব্যবস্থাও। যাত্রী প্রতি ভাড়া প্রায় ১ ডলার। আর সাবওয়ের উন্নয়নে ২৭ বিলিয়র পাউন্ড খরচ করে দেশটির সরকার।

এ লাইনগুলো পরিচালন করে চারটি প্রতিষ্ঠান। আর যাত্রীদের সুবিধার্থে পেপার টিকেটের বদলে ব্যবহার করা হয় স্মার্ট টিকেটিং কার্ড। আর ২৯১টি স্টেশন সম্বলিত ২৮৭ কিলোমিটার লম্বা এ সাবওয়ের ৭০ শতাংশই মাটির নিচে।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় গোটা দুনিয়ার জন্য রীতিমত আদর্শ সিউল সাবওয়ে বিখ্যাত ব্লগ জালোপনিকের এক সমীক্ষায় সুপার হাইওয়ের তকমে নিয়ে নিয়েছে। আর যাত্রী সাধারণে সুবিধার জন্য এখনও অব্যাহত রয়েছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর