channel 24

সর্বশেষ

  • তাজিয়া মিছিলের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

  • কোটা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাল্টাপাল্টি মিছিল

  • একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার কাজ শেষ; রায় ১০ অক্টোবর

  • ইভিএম কিনতে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন একনেকে

  • বিএনপি নেতা আমীর খসরুর সম্পদ অনুসন্ধানে দুদকের অভিযান

  • ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী

ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশে পরিণত হচ্ছে তুরস্ক

ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশে পরিণত হচ্ছে তুরস্ক

ডলারের বিপরীতে তুরস্কের মুদ্রা লিরার বিনিময়মূল্য কমেছে। ফলে আমদানি ব্যয় বাড়লেও দ্রুত কমছে রপ্তানি আয়। এই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে নতুন ঋণ নিচ্ছে সরকার। গেলো ১০ বছরের মধ্যে গড়ে সরকারের ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৮ শতাংশ। এছাড়াও পতন হয়েছে দেশটির শেয়ার বাজার। বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। এর মধ্যে ঋণ পরিশোধে চলতি বছরেই প্রায় ২৩ হাজার কোটি ডলার ঋণ নিতে পারে তুরস্ক সরকার।

চলতি বছরে ডলারের বিপরীতে তুরস্কের মুদ্রা লিরার বিনিময় মূল্য কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ। গেলো বছরে জাতীয় আয়ে ঘাটতি ছিলো ৫ দশমিক ৪ শতাংশ। গেলো ১০ বছরে সরকারের ঋণ গ্রহণের হারও বেড়েছে। মুদ্রার দাম কমায় বেড়েছে আমদানি ব্যয়। সব মিলিয়ে অনিশ্চয়তায় দেশটির ভবিষ্যৎ অর্থনীতি।

কখন কী হয়- তা কল্পনাও করতে পারছি না। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈদেশিক চাপে রয়েছে তুরস্ক। একে অর্থনৈতিক যুদ্ধ বলা যায় অনেকটাই শীতল যুদ্ধে মতো অবস্থা বিরাজ করছে। তুরস্কের আমদানি ব্যয় ক্রমান্বয়ে বাড়লেও রপ্তানি আয় দ্রুত কমছে। আমদানি-রপ্তানির মধ্যে ঘাটতি পূরণে নতুন ঋণ নিয়েছে সরকার। বেশ কয়েকটি বড় ঋণের মেয়াদ শেষ হলেও আয়ে ঘাটতি থাকায় ঋণ পরিশোধে চলতি বছরেই প্রায় ২৩ হাজার কোটি ডলার প্রয়োজন দেশটির।

প্রায় ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে তুরস্ক। এর জন্য অভ্যন্তরীণ কোন্দলই দায়ী। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতার কারণেও অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা নেই। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বৈরি সম্পর্কের কারণে বৈদেশিক বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক অবনতির কারণে নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে না তুরস্কে। আস্থাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নিজস্ব মুদ্রা ব্যবহারের প্রস্তাব টার্কিশ প্রেসিডেন্টের। 

মূল্যস্ফীতিসহ নানা কারণে প্রেসিডেন্টের ওপর ক্ষুব্ধ হলেও নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্যের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। বাণিজ্য অংশীদারদের সাথে নিজস্ব মুদ্রা ব্যবহারে প্রস্তুত তুরস্ক। ইউরোপের দেশগুলো ডলার ব্যবহার বন্ধ করলে তাদের প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতেও প্রস্তুত আমরা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমাদের চিন্তায় ডলারই থাকে। নিজ দেশের অর্থ ব্যবস্থায় আস্থা বাড়ালে এই অবস্থা থেকে মুক্তি সম্ভব। অবাক করা বিষয় হলো, অধিকাংশ সূচক নেতিবাচক হলেও গেলো ১৭ বছরের মধ্যে দেশটির অর্থনীতিতে দারুণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বেকারত্বের হার নেমে এসেছে ১০ শতাংশের নিচে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর