channel 24

সর্বশেষ

  • তাজিয়া মিছিলের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

  • কোটা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাল্টাপাল্টি মিছিল

  • একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার কাজ শেষ; রায় ১০ অক্টোবর

  • ইভিএম কিনতে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন একনেকে

  • বিএনপি নেতা আমীর খসরুর সম্পদ অনুসন্ধানে দুদকের অভিযান

  • ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী

তিন দফা সময় বাড়ানো হলেও ইবিআইএন নিবন্ধন নিয়েছেন নামমাত্র প্রতিষ্ঠান

তিন দফা সময় বাড়ানো হলেও  ইবিআইএন নিবন্ধন নিয়েছেন নামমাত্র প্রতিষ্ঠান

তিন দফা সময় বাড়ানো হলেও কাঙ্খিত হারে ইলেকট্রনিক ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর- ইবিআইএন নেয়নি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প সংশ্লিষ্টিদের হিসাবে, এখন পর্যন্ত মাত্র ১ লাখ ১৫ হাজার ব্যবসায়ী অনলাইনে নিবন্ধন নিয়েছেন অথচ ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রয়েছে সাড়ে ৮ লাখ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন এ কার্যক্রমের যথাযথ প্রচারণা চালায়নি এনবিআর। তাই নিবন্ধনের সময় আরো বাড়ানো উচিত। তবে ডিসেম্বর নাগাদ এ কার্যক্রমের সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

কর অফিস মানেই কাগজ আর ফাইলের বোঝা এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে এনবিআর। এই যেমন ২০১৭ সালের মার্চ মাসে অনলাইন ভ্যাট নিবন্ধন কাজ শুরু করে এনবিআর। যার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা ঘরে বসেই অনলাইনে ভ্যাট পরিশোধ করতে পারবেন।

নিয়ম অনুযায়ী, বার্ষিক লেনদেন ৩০ লাখ টাকার বেশি হলেই অনলাইনে নিবন্ধন নিতে হবে। এর আওতায়, অনলাইনে কর শনাক্তকরণ নম্বর বা ইবিআইএন চালু করে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প। যারা সনাতনি পদ্ধতিতে নিবন্ধন নিয়েছেন তাদেরকেও নতুন করে নিবন্ধনের নির্দেশনা দেয়া হয়। তবে হতাশার বিষয় হলো, তিন দফা সময় বাড়ানো হলেও নিবন্ধন নিয়েছেন খুবই সামান্য।

কথা ছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইনে মূসক বা ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। যা কিনা এখনো সম্ভব হয়নি। এই কর্মকর্তা জানান, এই কার্যক্রম পুরোপুরি বাস্তবায়নে এখনো কিছু জটিলতা রয়েছে। বিশেষ করে বড় কোম্পানি যাদের শাখা রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানের রেয়াত বিষয়ে।

এনবিআর জানায়, পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের আওতায় শুরুতে বৃহৎ করদাতা ইউনিট-এলটিইউ এর ১৩৯টি কোম্পানি রিটার্ন দেবেন এ পদ্ধতিতে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও আসবে এর আওতায়। এনবিআর ও ব্যবসায়ী উভয় পক্ষই মনে করছেন এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলে করদাতাদের হয়রানি কমে আসবে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

সবমিলে ডিসেম্বর নাগাদ অনলাইনে ভ্যাট পরিশোধের এ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে জানান প্রকল্প কর্মকর্তা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর