channel 24

সর্বশেষ

  • কুমিল্লায় সিজারে নবজাতক দ্বিখণ্ডিত: আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাময়িক বরখাস্ত

  • বিশেষায়িত হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে...

  • রিটের শুনানি ১ অক্টোবর পর্যন্ত মুলতুবি

  • রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের একসাথে কাজ করতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

  • নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়ার আহবান রাষ্ট্রপতির

  • ১৮ ঘণ্টা পর শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি রুটে স্বল্প পরিসরে ফেরি চলাচল শুরু

  • ১০ ঘণ্টা পর রাজধানীর মহাখালী টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল শুরু

  • চট্টগ্রামে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৬ জন নিহত

শিল্পে এলএনজির ব্যবহার নিয়ে দুশ্চিন্তায় বিনিয়োগকারীরা 

শিল্পে এলএনজির ব্যবহার নিয়ে দুশ্চিন্তায় বিনিয়োগকারীরা 

ক্যাপটিভ এবং শিল্পে এলএনজির ব্যবহার নিয়ে দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা।

তাদের মতে, আমদানিকে সামনে রেখে এই দুই খাতে প্রায় দ্বিগুণ দাম বাড়ানো হলে ঝুঁকিতে পড়বে অর্থনীতি। এমনকি, বাংলাদেশ হারাবে আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার সক্ষমতা। তাই, লম্বা সময় নিয়ে ধাপে ধাপে দাম সমন্বয়ের পরামর্শ তাদের। এলএনজি নিয়ে ইকবাল আহসানের তিন পর্বের ধারাবাহিকের শেষ পর্ব আজ। ছবি তুলেছেন তিমির হায়দার। ম্যাকসন স্পিনিং মিলে দৈনিক ৬০ টন সুতা উৎপাদনের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে ১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার। যার ৯ মেগাওয়াটই গ্যাস জেনারেট ভিত্তিক। এই জেনারেটর চালাতে মাসে প্রতিষ্ঠানটিকে বিল দিতে হয় এক কোটি ত্রিশ লাখ টাকার বেশি। 

কিন্তু এলএনজি যোগ হলে, বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার ৯ টাকা ৬২ পয়সার বদলে গ্যাস কিনতে হবে ১৬ টাকায়। ফলে, তাদের মাসিক বিল বাড়বে অন্তত ৮৫ লাখ টাকা। যা প্রতি কেজি সুতার উৎপাদন খরচ ২৯০ থেকে বাড়িয়ে দেবে সাড়ে তিনশ টাকায়। ফলে, আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকা নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। দামের দুশ্চিন্তা আরো ভোগাচ্ছে ক্যাপটিভের বাইরে থাকা অন্য শিল্প মালিকদেরও। কেননা, এলএনজি দোহাই দিয়ে সেখানেও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ। অর্থাৎ পৌনে আট টাকার বদলে কিনতে হবে প্রতি ঘনমিটার সাড়ে ১৬ টাকায়। এই দুই খাতে গ্যাসের মোট ব্যবহার তিন ভাগের একভাগ। যা দেশের কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং নতুন শিল্প গড়তে ভূমিকা রাখে সবচেয়ে বেশি। তাই উদ্যোক্তাদের পরামর্শ হলো, দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে আরো বাস্তবসম্মত হতে হবে সরকারকে।

কেবল শিল্প কিংবা ক্যাপটিভ নয়, দামের বড় প্রভাব পড়বে বিদ্যুৎ খাতেও। কারণ সেখানেও সরকারের বাড়ানোর ইচ্ছা তিনগুণের বেশি। আর এটি করা হলে, বর্তমানে গ্যাস ভিত্তিক কেন্দ্র থেকে পৌনে তিন টাকার কমে পাওয়া প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ দাঁড়াবে সাড়ে ৪ টাকা। ফলে বড় চাপ পড়বে ভোক্তা পর্যায়ে। এছাড়া, সারের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত পৌনে পাঁচগুণ দাম বাড়লে ফসলের উৎপাদন খরচ বাড়বে কৃষক পর্যায়ে। দাম বাড়ানোর বাইরে সরাসরি এলএনজি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও সিদ্ধান্তও সমালোচিত নানা মহলে।

 

 

 

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর