channel 24

সর্বশেষ

  • তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেত্রী নওশাবার জামিন

  • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জিয়া পরিবার জড়িত: প্রধানমন্ত্রী...

  • বঙ্গবন্ধু ‌এভিনিউয়ে নিহতদের প্রতি অস্থায়ী বেদিতে শ্রদ্ধা

  • সড়ক দুর্ঘটনা: গোপালগঞ্জে আলাদা স্থানে ৫ জনসহ সারা দেশে নিহত ১২

  • সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

  • ঈদযাত্রায় সড়ক, রেল ও নৌপথে মানুষের উপচেপড়া ভিড়...

  • যানবাহন সংকটে যাত্রীদের ভোগান্তি; দেরিতে ছাড়ছে বেশিরভাগ ট্রেন

  • ঈদযাত্রা ভোগান্তিহীন ও নিরাপদ করতে ব্যর্থ সড়ক পরিবহনমন্ত্রী: রিজভী

  • পশুর হাটে চাঁদাবাজি বন্ধে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: ডিএমপি

এলএনজি আমদানি নিয়ে শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

এলএনজি আমদানি নিয়ে শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

অর্থনৈতিক ঝুঁকি এবং প্রকৃত বিশ্লেষণ না করেই এলএনজি আমদানিতে নজর দিয়েছে সরকার।

এর ফলে বোঝা বাড়বে দীর্ঘ মেয়াদে, মিলবে না বড় বিনিয়োগের সুফল। এমন মত জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের। তবে সরকার বলছে, এই কার্যক্রম বাংলাদেশকে হাজার কোটি ডলারের বৈশ্বিক বাণিজ্যের বড় অংশীদার করে তুলবে। যা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক। আর এই উৎস ঘিরে সরবরাহ ব্যবস্থাকেও আরো আধুনিক করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী। 

আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ গ্রামটি এখন হাজার কোটি টাকার কর্মকাণ্ডে মুখর। এসকেভেটর, রোলার আর বুলডোজারের ভারি আঘাতে নতুন রূপ পাচ্ছে প্রতি ইঞ্চি মাটিকণা। কারণ এখান থেকে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট পর্যন্ত বসানো হচ্ছে ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপলাই। এই পাইপলাইনের মাধ্যমেই গ্রিডে দেয়া হবে বিদেশ থেকে এলএনজি হিসেবে আনা রূপান্তরিত গ্যাস। পরিকল্পনায় থাকা ২০৩০ সাল নাগাদ দৈনিক ৪০০ কোটি ঘনফুট আমদানি করা গ্যাসের জন্যও অন্যতম বড় প্রকল্প এটি।

এর বাইরেও সমান্তরালে বাস্তবায়িত হচ্ছে আরো কয়েকটি প্রকল্প। যা নিশ্চিত করবে, এলএনজির বিশ্ববাজারে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে উঠতে। কারণ ২০১৬ সালের তথ্য হলো, সে বছর পুরো বিশ্বের গ্যাসের চাহিদার ১০ শতাংশই মিটেছে এলএনজি দিয়ে। আর বেচাকেনা হয়েছে প্রায় ২৬ কোটি টন। এই বিক্রির ত্রিশ শতাংশই সরবরাহ করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার। অস্ট্রেলিয়ার অংশও ছিল ১৭ শতাংশ। তবে এই গ্যাস কিনতে ৩৫টি আমদানিকারক দেশ প্রতি ইউনিটের জন্য সে বছর খরচ করেছিল সাড়ে পাঁচ ডলার। আর, দুই বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশকে তা এখন কিনতে হচ্ছে তিন ডলার বেশি দিয়ে। অথচ, এই গ্যাস দেশে আসার কথা ছিল আরো অন্তত পাঁচ বছর আগে। যা সম্ভব হলে, স্বস্তি মিলতো দামের দিক দিয়েও।

মূলত দামি জ্বালানি হিসেবে পুরো বিশ্বের কাছে পরিচিত এলএনজি। যা ব্যবহারও করে থাকে শক্ত অর্থনীতির দেশগুলো। তাই, এটি বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে কতোখানি স্বস্তির সে প্রশ্ন উঠছে প্রায়ই। তাছাড়া এটি কোন খাতে কিভাবে, কতোটুকু ব্যবহার করা হবে সে ব্যাপারেও নেই পরিষ্কার কোনো রূপরেখা। প্রকৃত বিশ্লেষণ নেই, এটি আনতে করা বিনিয়োগ এবং তার বিপরীতে অর্থনৈতিক প্রাপ্তি নিয়েও। তাই কেউ কেউ মনে করেন, এই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত সরকারের জন্য হয়ে উঠতে পারে বড় বোঝা। ব্যবসায়ী এবং ভোক্তারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও বড় দুশ্চিন্তার জায়গা রয়ে গেছে দরদাম নিয়ে।

 

 

 

 

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর