channel 24

সর্বশেষ

  • তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেত্রী নওশাবার জামিন

  • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জিয়া পরিবার জড়িত: প্রধানমন্ত্রী...

  • বঙ্গবন্ধু ‌এভিনিউয়ে নিহতদের প্রতি অস্থায়ী বেদিতে শ্রদ্ধা

  • সড়ক দুর্ঘটনা: গোপালগঞ্জে আলাদা স্থানে ৫ জনসহ সারা দেশে নিহত ১২

  • সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

  • ঈদযাত্রায় সড়ক, রেল ও নৌপথে মানুষের উপচেপড়া ভিড়...

  • যানবাহন সংকটে যাত্রীদের ভোগান্তি; দেরিতে ছাড়ছে বেশিরভাগ ট্রেন

  • ঈদযাত্রা ভোগান্তিহীন ও নিরাপদ করতে ব্যর্থ সড়ক পরিবহনমন্ত্রী: রিজভী

  • পশুর হাটে চাঁদাবাজি বন্ধে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: ডিএমপি

এলএনজি আমদানি: প্রায় সব রকম প্রস্তুতি শেষ করেছে সরকার

এলএনজি আমদানি: প্রায় সব রকম প্রস্তুতি শেষ করেছে সরকার

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজি আনতে প্রায় সব রকম প্রস্তুতি শেষ করেছে সরকার। মহেশখালির কোয়ানক ইউনিয়নের ঘটিভাঙায় নির্মাণ করা হয়েছে সংযোগ পয়েন্ট। পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে গভীর সমুদ্রে জাহাজ নোঙরের স্থানটিতে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বলছে, একেকটি এলএনজি ভর্তি জাহাজ থেকে দৈনিক ৫০ কোটি ঘনফুট হারে গ্যাস দেয়া হবে, গ্রিডে।

সাপের মতো বেয়ে চলা মহেশখালি আর সোনাদিয়ার অসংখ্য বাঁক মিলেছে বঙ্গোপসাগরে। কখনো মোহনা, আর কখনো বা সরু চ্যানেলের মাঝখান দিয়ে ছুটে চলা স্পিডবোটে দারুণ ব্যস্ত এক্সিলারেট এনার্জি আর জিওশানের কর্মীরা। কারণ, এলএনজি আনতে এখনো বাকি বেশকিছু কাজ। প্রায় ঘণ্টা খানেক পর স্পিডবোট মহেশখালির কোয়ানক ইউনিয়নের ঘটিভাঙায়। সেখানেই গড়ে উঠেছে এলএনজির প্রথম টাই-ইন পয়েন্ট।

মূলত তরলীকৃত গ্যাস নিয়ে সমুদ্রে ভাসতে থাকা জাহাজের সাথে প্রথম সংযোগ ঘটবে এই পয়েন্টের। যেজন্য সমুদ্রের নিচ দিয়ে বসানো হয়েছে বিশেষ পাইপলাইন। আর এখান থেকে জাতীয় গ্রিডে দেয়ার জন্য শেষ হয়েছে আলাদা একাধিক পাইপলাইনের কাজও। যেগুলো করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিওশান।

বিদেশ থেকে আসা এলএনজিভর্তি জাহাজটি অবস্থান করবে সমুদ্রের বেশ খানিকটা ভেতরে। যেখানকার গড় গভীরতা ৩২ থেকে ৩৫ মিটার। এরই মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই, আবহাওয়া, ঝুঁকি এবং স্থায়িত্ব পরীক্ষার জন্য সেখানে রাখা হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের একটি জাহাজ। যেখানে নোঙর করবে এক্সিলারেট এনার্জির বিশেষ এফএসআরইউ। হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি এফএসআরইউতে এলএনজি থাকবে ১ লাখ ৩৮ হাজার ঘনমিটার। যা সেখান থেকেই রূপান্তর করে গ্যাস পাওয়া যাবে ২৯০ কোটি ঘনফুটের মতো। এই গ্যাস দৈনিক ৫০ কোটি ঘনফুটহারে গ্রিডে দেয়া হলে একেকটি জাহাজে চলবে ছয় দিনের কম। আর, কাতার থেকে রওনা হয়ে এই পর্যন্ত আসতে সময় লাগবে আরো দশ থেকে ১২ দিন। তাই, নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ রাখতে হলে, জাহাজ চলাচল, নোঙরসহ কড়া নজরদারির আওতায় আনতে হচ্ছে সার্বিক ব্যবস্থাপনা।

এই কার্যক্রম দিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করতে যাচ্ছে হাজার কোটি টাকার এলএনজি বাণিজ্যে।

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর