channel 24

সর্বশেষ

  • খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়টি স্পর্শকাতর: হাইকোর্ট

  • জাতীয় ঐক্য শেষ পর্যন্ত টিকবে না: ওবায়দুল কাদের

  • ঐক্যের নামে জনবিচ্ছিন্ন নেতারা নির্বাচনকে ধ্বংস করতে চায়: নাসিম

  • সরকারের পতন ঘটাতে দুর্নীতিবাজদের ঐক্য হয়েছে...

  • ইন্টারনেটে অপপ্রচার রোধ ও শিশুদের সুরক্ষায় ডিজিটাল আইন...

  • যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

  • জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত টিকবে না: ওবায়দুল কাদের

  • মালদ্বীপের নির্বাচনে জয়ের দাবি বিরোধী প্রার্থী ইব্রাহিম সলিহর

  • এশিয়া কাপ: আফগানিস্তানকে ৩ রানে হারিয়ে...

  • ফাইনালের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখলো বাংলাদেশ...

  • স্কোর: বাংলাদেশ ২৪৯/৭, আফগানিস্তান ২৪৬/৭...

  • মোস্তাফিজের ওভার ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট: মাহমুদুল্লাহ

এলএনজি দিয়ে বিদ্যুৎঃ প্রতি ইউনিটের উৎপাদন খরচ হবে প্রায় ৩০ টাকা

এলএনজি দিয়ে বিদ্যুৎঃ প্রতি ইউনিটের উৎপাদন খরচ হবে প্রায় ৩০ টাকা

এলএনজি দিয়ে সরাসরি বিদ্যুৎ তৈরি করা হলে প্রতি ইউনিটের খরচ দাঁড়াবে প্রায় ত্রিশ টাকা। যা ডিজেলের চেয়েও বেশি। অথচ, আমদানি করা এই জ্বালানির ওপর ভর করেই সরকার নিচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। যা ভয়াবহ বিপদে ফেলবে এই খাতকে- এমন মত বিশ্লেষকদের।

এ রকম ছোট ছোট সেলাইয়ে গেল দেড় দশক ধরে রবিউজ্জামান গেঁথেছেন সাফল্যের গল্প। সৌখিন চামড়াজাত পণ্য তৈরি করে, বিক্রি করছেন বিদেশে। একই সাথে, দেশের বাজারেও। কিন্তু, এই সময়ে বড় বাধা হিসেবে তার সামনে এসেছে বিদ্যুতের দাম। যা গেলো আট বছরে ভোক্তা পর্যায়ে বেড়েছে অন্তত সাতবার। আর এটি, সমন্বয় করতে গিয়ে ছোট হয়েছে লাভের অঙ্ক। এমন অবস্থায়, ভবিষ্যতে এলএনজি কিংবা কয়লার তৈরি বিদ্যুৎ আরো কয়েকগুণ বেশি দামে কিনতে হলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা নিয়েই তার যতো দুশ্চিন্তা।

ব্যবসায়ীদের এই দুশ্চিন্তা আরো বড় হওয়ার শঙ্কা রয়েছে সামনের দিনগুলোতেও। কেননা, বিদ্যুৎ উৎপাদনের যেসব প্রকল্প নেয়া হয়েছে, তাতে কম দামে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই একেবারেই।

এলএনজির কথায় আসা যাক। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রতি হাজার ঘনফুট ১০ ডলার করে কিনে তার সাথে আনুষঙ্গিক খরচ যোগ করলে মোট দাম পড়বে প্রায় ১৩ ডলার করে। যা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে দেশি গ্যাসের চেয়ে খরচ বাড়বে অন্তত ১২গুণ। ফলে, বর্তমানে গ্যাস ভিত্তিক কেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ আড়াই টাকায় মিললেও, ২০২১ সাল নাগাদ দাঁড়াবে প্রায় ত্রিশ টাকায়। যা বর্তমানে ডিজেল পুড়িয়ে পাওয়া বিদ্যুতের চেয়েও বেশি।

সঙ্কট এখানেই শেষ নয়। পরিকল্পনা ঠিকমতো কাজ না করায়, ২০৩০ পর্যন্ত নয় হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য ধরা হয়েছে কেবল এলএনজি থেকেই। যার মধ্যে ২০২২ সালে উৎপাদনে আসার শর্তে পায়রায় তিন হাজার ৬শ মেগাওয়াটের জন্য প্রাথমিক চুক্তিও সেরে ফেলেছে সরকার। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, প্রতি এক হাজার মেগাওয়াটের জন্য ১৫ কোটি ঘনফুট হারে গ্যাসের হিসাব ধরলে সেগুলো চালাতে দৈনিক লাগবে অন্তত ১৩৫ কোটি ঘনফুট। এই সময়ের মধ্যে যার আমদানি করাও প্রায় অসম্ভব। তারওপর দুশ্চিন্তা রয়েছে প্রাথমিক বিনিয়োগ নিয়েও।

এমন অবস্থায়, দীর্ঘমেয়াদে এই জ্বালানির ভবিষ্যত নিয়েও শঙ্কা বাড়ছে নানা মহলে।

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর