channel 24

সর্বশেষ

  • তাজিয়া মিছিলের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

  • কোটা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাল্টাপাল্টি মিছিল

  • একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার কাজ শেষ; রায় ১০ অক্টোবর

  • ইভিএম কিনতে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন একনেকে

  • বিএনপি নেতা আমীর খসরুর সম্পদ অনুসন্ধানে দুদকের অভিযান

  • ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী

নদীর পানি প্রবাহ: ড্রেজিং ও খনন বিষয়ক সরকারি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

নদীর পানি প্রবাহ: ড্রেজিং ও খনন বিষয়ক সরকারি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো ভরাট হয়, উজান থেকে আসা পলির মাধ্যমে। আর দক্ষিণের নদীতে সাগর থেকে আসে নোনা জল আর পলি। নদীর আন্তসংযোগ এবং ড্রেজিং ও খননের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া সেই নদীগুলোর আবারো পানির প্রবাহের পরিকল্পনা করেছে সরকার। আর এই সব পরিকল্পনাই করা হয়েছিল গঙ্গা ব্যারেজের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোতে সরবরাহের কথা মাথায় রেখেই। কিন্তু সেই গঙ্গা ব্যারেজই বাতিল হওয়ায়, এই পরিকল্পনাগুলোর মাধ্যমে কতোটুকু সুফল পাওয়া যাবে তা নিয়ে আছে সংশয়। আবার, খনন করা নদীর পলি ব্যবস্থাপনা নিয়েও আছে সরকারের ভেতরই ভিন্ন মত।

গড়াই, কপোতাক্ষ, হরি, মাথাভাঙ্গাসহ এই অঞ্চলের ২৩ টি নদীতে ঢুকে পড়ছে সমুদ্রের নোনা জল আর সাগর থেকে আসছে লাখ লাখ টন পলি। কিন্তু নেই উজান থেকে মিঠা পানির প্রবাহ।

পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়া সেই নদীগুলোকেই আবার পুন-খননের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা নেয় সরকার। এরই আওতায় যশোরের কতোপাক্ষ নদকে দেয়া হয়েছে সেই পুরনো ভরাট রুপ। হারিয়ে যাওয়া অবস্থানে আবারো নতুন করে নদীর গতি প্রবাহের এতোবড় উদ্যোগ বাংলাদেশে এটাই প্রথম।

শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গা ব্যারেজের মাধ্যমে ধরে রাখা পানি এই নদী দিয়ে প্রবাহের পরিকল্পনা রেখেই তা খনন করা হয়। কিন্তু ভেস্তে গেছে গঙ্গা ব্যারেজ প্রকল্পই। তাই প্রশ্ন, পানিটা আসবে কোথা থেকে?

বারবার ড্রেজিয়ের আর খননের ঝামেলা এড়াতে পলি অপসারণে নতুন এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়। ট্রাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট নামে এই পদ্ধতিতে শুষ্ক মৌসুমে নদীর একটি অংশে বাধ পানি প্রবাহ বন্ধ করে দেয়া হয়। আর অন্য অংশকে কৃত্তিম খালের যাথে যুক্ত করে সাগর থেকে আসা পলিকে নিয়ে যাওয়া হয় কোন বিল বা নিন্মাঞ্চলে।

কিন্তু, টিআরএম বাস্তবায়ন নিয়ে আছে ভিন্ন মত। পানি উন্নয়ন বোর্ড এই প্রকল্পকে এগিয়ে চাইলেও মন্ত্রীর দাবি, অতিরিক্ত ব্যায়ের কারণে অর্থনৈতিকভাবে লাভ জনক নয়।

হরি, শঙ্ক, গড়াই তিনটি নদীতে সাগর থেকে ১.৩ মিলিয়ন টন পলি আসে প্রতিবছর। এই পলি নদীর ভরাট করে ফললেও আর্শিবাদ হিসেবে দেখা দিয়েছে ইট ব্যবসায়ীদের কাছে। নদীর বিভিন্ন অংশে বাধ দিয়ে, পলী জমা করে, সেই পলি দিয়ে ইট বানাচ্ছেন এখাকার ব্যবসায়ীরা।

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর